০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ১৩ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগ নিয়ে উত্তেজনা-বিক্ষোভ

রংপুর মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ থেকে অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়নের এক দিনের মাথায় অধ্যাপক ডা. মাহফুজুর রহমানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করেছে চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত আবু সাঈদের ফরেনসিক প্রতিবেদন পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিলেন তিনি।

বুধবার (৩০ অক্টোবর) সকাল থেকে সদ্য পদায়নকৃত অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে ডা. মাহমুদুল হক সরকার ও ডা. শরিফুল মণ্ডলের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের একপর্যায়ে দুপুরের দিকে অধ্যক্ষের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন তারা।

আন্দোলনকারীরা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আন্দোলনে অংশ নেওয়া মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন সেই সময়ের উপাধ্যক্ষ ডা. মাহফুজুর রহমান। এছাড়াও তিনি পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে মিলে শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার ফরেনসিক প্রতিবেদন বদলানোর জন্য চিকিৎসককে চাপ দিয়েছিলেন। তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) নেতৃত্বেও ছিলেন। শুধু তাই নয় আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের সময় তিনি সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেছেন।

আন্দোলনকারীরা আরও বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন এই মাহফুজুর রহমান। ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কোনো শিক্ষক রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষসহ কোনো প্রশাসনিক পদে থাকতে পারবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তারা। সেই সঙ্গে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

কিডনি-ক্যান্সার-হৃদরোগ বিশেষায়িত ৫৬০ বেডের হাসপাতাল তৈরি হবে রংপুরে- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম

রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগ নিয়ে উত্তেজনা-বিক্ষোভ

প্রকাশিত ১১:৩১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৪

রংপুর মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ থেকে অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়নের এক দিনের মাথায় অধ্যাপক ডা. মাহফুজুর রহমানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করেছে চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত আবু সাঈদের ফরেনসিক প্রতিবেদন পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিলেন তিনি।

বুধবার (৩০ অক্টোবর) সকাল থেকে সদ্য পদায়নকৃত অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে ডা. মাহমুদুল হক সরকার ও ডা. শরিফুল মণ্ডলের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের একপর্যায়ে দুপুরের দিকে অধ্যক্ষের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন তারা।

আন্দোলনকারীরা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আন্দোলনে অংশ নেওয়া মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন সেই সময়ের উপাধ্যক্ষ ডা. মাহফুজুর রহমান। এছাড়াও তিনি পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে মিলে শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার ফরেনসিক প্রতিবেদন বদলানোর জন্য চিকিৎসককে চাপ দিয়েছিলেন। তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) নেতৃত্বেও ছিলেন। শুধু তাই নয় আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের সময় তিনি সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেছেন।

আন্দোলনকারীরা আরও বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন এই মাহফুজুর রহমান। ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কোনো শিক্ষক রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষসহ কোনো প্রশাসনিক পদে থাকতে পারবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তারা। সেই সঙ্গে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।