০২:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫, ৯ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড় সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

পঞ্চগড় সদর উপজেলায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আনোয়ার হোসেন (৩৬) নামে এক বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) ভোরে সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের মোমিনপাড়া ও ভারতের শিংপাড়া সীমান্তের মেইন পিলার ৭৫১ এর ৮/৯ নম্বর সাব পিলারের মাঝামাঝি এলাকায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

নিহত আনোয়ারের বাড়ি তেতুঁলিয়া উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের দেবনগর এলাকায়। তিনি ওই এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে।

নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্র জানায়, আনোয়ারসহ কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক বৃহস্পতিবার রাতে ভারতে যান। ভোরের দিকে ফেরার পথে ভারতীয় সীমান্তের ভেতরে বিএসএফের ৯৩ ব্যাটালিয়নের চানাকিয়া ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। পরে গুলি চালায় বিএসএফ। এসময় ঘটনাস্থলে নিহত হন আনোয়ার। তার মরদেহও নিয়ে যায় বিএসএফ সদস্যরা।

বিজিবি জানায়, সীমান্তে গুলির শব্দ পেয়ে চোরাকারবারীদের প্রতিহত করার জন্য ৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন ঘাগড়া বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা।

নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা বলেন, পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নিহতের মরদেহ ফেরত আনা হবে। এছাড়া এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হবে। ঘটনার পরে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা থেকে চোরাচালানের একটি গরু জব্দ করে বিজিবি।

কিডনি-ক্যান্সার-হৃদরোগ বিশেষায়িত ৫৬০ বেডের হাসপাতাল তৈরি হবে রংপুরে- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম

পঞ্চগড় সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশিত ০৩:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪

পঞ্চগড় সদর উপজেলায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আনোয়ার হোসেন (৩৬) নামে এক বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) ভোরে সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের মোমিনপাড়া ও ভারতের শিংপাড়া সীমান্তের মেইন পিলার ৭৫১ এর ৮/৯ নম্বর সাব পিলারের মাঝামাঝি এলাকায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

নিহত আনোয়ারের বাড়ি তেতুঁলিয়া উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের দেবনগর এলাকায়। তিনি ওই এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে।

নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্র জানায়, আনোয়ারসহ কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক বৃহস্পতিবার রাতে ভারতে যান। ভোরের দিকে ফেরার পথে ভারতীয় সীমান্তের ভেতরে বিএসএফের ৯৩ ব্যাটালিয়নের চানাকিয়া ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। পরে গুলি চালায় বিএসএফ। এসময় ঘটনাস্থলে নিহত হন আনোয়ার। তার মরদেহও নিয়ে যায় বিএসএফ সদস্যরা।

বিজিবি জানায়, সীমান্তে গুলির শব্দ পেয়ে চোরাকারবারীদের প্রতিহত করার জন্য ৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন ঘাগড়া বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা।

নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা বলেন, পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নিহতের মরদেহ ফেরত আনা হবে। এছাড়া এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হবে। ঘটনার পরে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা থেকে চোরাচালানের একটি গরু জব্দ করে বিজিবি।