রাজিবপুরে আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে পকেট কমিটি গঠনের অভিযোগ

Rowmari picture 05 12 2019

রৌমারী প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার ৩ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে আওয়ামীলীগের পকেট কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে দলের একাংশ। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) বিকালে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলমের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনে বলেন, ‘শফিউল আওয়ামী লীগের দালালের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।’

অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম বলেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি, কোনো জায়গাতেই পকেট কমিটি হয়নি। আন্দোলন-সংগ্রামে যাঁরা ছিলেন, তাঁদেরই মূল্যায়ন করা হয়েছে। বিএনপি জামাতের লোকজনকে দলের কাউন্সিলর করা হয়নি। তিনি আরো বলেন, যারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যার করছে তারা দলের শত্রু।’

গত ২ ডিসেম্বর উপজেলা সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করার কথা ছিল। এ বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভার আয়োজনে মূল ভূমিকা পালন করেন আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা ও অধ্যাপক আব্দুর সবুর ফারুকী। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলা শহরের প্রদান প্রদান সড়ক ঘুরে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়।
পরে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভায় রাজীবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হাই সরকার বলেন, অবৈধ কাউন্সিলর তালিকায় জামাত শিবিরের লোকজনের নাম ওই তালিকা থেকে বাদ দেয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

তিনি আরো বলেন, ‘গত ২ ডিসেম্বর সম্মেলন করার লক্ষ্যে শফিউল আলম পরিকল্পিতভাবে সড়েযন্ত্রমূলক আমাকে না জানিয়ে সম্মেলনের এই তারিখ নির্ধারন করেছিল। পরে আমি গিয়ে আওয়ামীলীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে কমিটির বিষয় নালিশ দেওয়ায় পরে সঙ্গে সঙ্গে ওই পাতানো কাউন্সিল স্থগিত করে দেন।’

সভাপতিকে না জানিয়ে বিএনপি ও জামাতের লোকজনদের কাউন্সিলর বানানোসহ শফিউলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন রাজীবপুর উপজেলা পরিষদ চেয়াম্যান আকবর হোসেন হিরো।

জেলা পরিষদ সদস্য রেনু বেগম বলেন, বিএনপির সদস্যদের দিয়ে ত্রি বার্ষিকী সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ওয়ার্ড গুলোতে নতুন ভোটার করার অভিযোগ উঠে সম্পাদকের বিরুদ্ধে। উক্ত বিক্ষোভে আরোও বক্তব্য রাখেন ৩ ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মেহেদী হাসান তারেক প্রমূখ।

বুধবার বিকেলে রাজীবপুর বাজারে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হাই সরকার এ বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা’র আয়োজন করে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.