রাজাপুরে ভ্রাম্যামাণ আদালতে তিন ভুয়া ডাক্তারসহ ১১ জনকে জরিমানা

- Advertisement -

রাজাপুর প্রতিনিধি:
ঝালকাঠির রাজাপুরে ডাক্তার না হয়েও বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে প্রেসার মাপাসহ বিভিন্ন রোগ আছে বলে অনুমোদনহীন ঔষদ সরবরাহ করার অভিযোগে তিন ভুয়া ডাক্তার ও অতিরিক্ত মূল্যে পিয়াজ বিক্রির অভিযোগে দু’জন এবং ভোক্তা অধিকার আইন লংঘন করে খাদ্যপণ্য ও প্রসাধনী বিক্রয়ের দায়ে ৬ জনকে আটক করেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পৃথক অভিযান চালিয়ে উপজেলার মনোহরপুর এলাকা থেকে তিন ভুয়া ডাক্তার ও সদরের বাইপাস মোড় এলাকা থেকে দুই পিয়াজ ব্যবসায়ী এবং একই স্থান থেকে ভ্রাম্যমান খাদ্যপণ্য ও প্রসাধনী বিক্রয়কারী ৬জনকে আটক করা হয়।

আটককৃতদের রাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ভুয়া ডাক্তারদের জন প্রতি ১০ হাজার টাকা ও পিয়াজ ব্যবসায়ীদেরকে জন প্রতি ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়। আর খাদ্যপণ্য ও প্রসাধনী বিক্রয়কারী ৬ ব্যক্তিকে রাতে থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ শুক্রবার সকালে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও নির্বাহী অফিসার মো: সোহাগ হাওলাদারের কাছে সোপর্দ করলে ইউএনও তাদেরকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করে এবং তাদের মুচলেখা রেখে ছেড়ে দেয়া হয়।

দন্ডপ্রাপ্ত ভুয়া ডাক্তাররা হলেন, নীলফামারি জেলা সদরের আ: কাদের এর ছেলে ওসমান খান, শাহ জামালের ছেলে মানিক মন্ডল ও আ: ছত্তার এর ছেলে মো: আসলাম এবং পিয়াজ ব্যবসায়ীরা হলেন, আ: সালাম ও লোকমান এবং ভ্রাম্যমান খাদ্যপণ্য ও প্রসাধনী বিক্রয়কারীরা হলেন, দিনাজপুরের শহিদুল ইসলাম, বোরহানউদ্দিনের বায়েজিদ ও মহিবুল্লাহ, চাপাইনবাবগঞ্জের রাফি হোসেন, কক্সবাজারের মো: সুমন ও নেত্রকোনার হাফিজ মুহাম্মদ মামুন।

ইউএনও মো: সোহাগ হাওলাদার জানান, ডাক্তার পরিচয় দিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে অনুমোদনহীন ঔষদ বিক্রয়ের দায়ে তিনজনকে ত্রিশ হাজার টাকা, অতিরিক্ত দামে পিয়াজ বিক্রয়ের দায়ে দু’জনকে দশ হাজার টাকা এবং ভোক্তা অধিকার আইন লংঘন করে খাদ্যপণ্য ও প্রসাধনী বিক্রয়ের দায়ে ছয়জনকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.