মুন্সিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের সাত জনসহ নিহত ৯

- Advertisement -

ডেইলি রংপুর ডেস্ক:
মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে বরযাত্রীবাহী মাইক্রো-তে বাসের চাপায় একই পরিবারের৭ জনসহ ৯ জন নিহত হয়েছে। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর বাসস্ট্যান্ডে মাওয়াগামী মাইক্রোবাসের সঙ্গে স্বাধীন পরিবহনের একটি বাসের সংঘর্ষ হয়। শ্রীনগর ষোলঘর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক শাহ আলম নিহতদের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন- বর রুবেলের বাবা আব্দুর রশিদ বেপারী (৭০), বোন লিজা (২৪), ভাগনি তাবাসসুম (৬) ও অপর ভাগনি রেনু (১২), ফুপা কেরামত বেপারী (৭০), ভাইয়ের ছেলে তাহসান (৪), বড় ভাই সোহেলের স্ত্রী রুনা খান (২৪), তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন। বরের প্রতিবেশী মফিজুল মোল্লা (৬৫) ও মাইক্রোবাস চালক বিল্লাল (৪০)।

জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম জানান, দুর্ঘটনায় মাইক্রোবাসের চালকসহ ৯ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৬ জন দুর্ঘটনাস্থলে, দুই জন ষোলঘর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও এক জন ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে মারা যান। গুরুতর আহত আছে আরও তিনজন।

হাঁসাড়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আব্দুল বাসেদ জানান, মাওয়াগামী স্বাধীন পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকাগামী মাইক্রোবাসের উপরে গিয়ে পড়লে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মাইক্রোবাসের আরোহীরা সবাই আত্মীয়-স্বজন ছিল। তারা লৌহজং উপজেলার কনকসার ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

ষোলঘর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক শাহ আলম জানান, আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় চারজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া আহত আরও ১০ জনকে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সন্ধ্যায় জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম আরও বলেন, ঢাকায় নেওয়া আহত চারজনের মধ্যে দুইজন নয়, একজন মারা গেছেন। তার নাম রুনা (২৪)। তিনি বরের বড় ভাই সোহেলের স্ত্রী। এছাড়া আহত জাহাঙ্গীর মারা যাননি। তিনি চিকিৎসাধীন আছে।

জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার জানান, নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে দাফন ও যাতায়াত ভাড়া বাবদ ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.