মাটির পাতিল বিক্রি করে সংসার চলে আব্দুর রহমানের

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

জীবিকার তাগিদে মাটির তৈরি জিনিসগুলো বিক্রি করতে প্রতিদিনই কোনো না কোনো স্থানে ছুটে যান আব্দুর রহমান। এক সময়ে গ্রামাঞ্চলে কদর ছিলো মাটির তৈরি পণ্যসামগ্রীর। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়ায় মাটির সামগ্রী প্রায় বিলুপ্তির পথে।

প্রতিদিনই মাটির তৈরি জিনিসগুলো নিয়ে গ্রাম থেকে কয়েক কিলোমিটার হেঁটে হেঁটে যান দূর-দূরান্তে। আব্দুর রহমান  কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল ইউপির বড়কুড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি প্রায় ৩৫ বছর ধরে মাটির পাতিল বিক্রি করে ছেলে পড়াশোনা ও দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। এভাবেই চলছে তার জীবিকা নির্বাহ।  

আব্দুর রহমান বলেন, বাজারে বা গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঘুরে  আগের মতো এখন আর মাটির জিনিস বিক্রি হয়না। তারপর কোন রকম কষ্ট করে সংসার চলছে। মাটির তৈরি জিনিসগুলো প্রতিদিন পায়ে হেটে বিক্রি করতে ছুটে যান এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রাম জেলা থেকে উপজেলার এক প্রান্ত থেকে  অন্য প্রান্তে। তার প্রতিদিন মাটির পাতিল, কাসা,বেলনি বিক্রি করে দৈনিক আয় ২০০-২৫০ টাকা।

তিনি বলেন, এক সময় যুগ যুগ ধরে মাটির তৈরি জিনিস বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করলেও বর্তমানে এ পেশা ছেড়েছেন অনেকে। এখন হাতে গোনা কয়েকজন পরিবার এ কাজের সঙ্গে যুক্ত আছেন। আমার সাথের অনেকেই  অন্য পেশায় চলে গেছেন। বর্তমানে অ্যালুমিনিয়াম ও প্লাস্টিক পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে বা অনেকেই এ পেশা ছেড়েছেন বলে তার দাবি

কেনাবেচা না থাকায় কুমারেরা আগের মতো মাটির জিনিস তৈরি করছেন না। বাপ দাদার পেশাও ছেড়ে অন্য পেশায় চলে গেছেন  বলেও তিনি জানান।

নিউজ সোর্স : মাটির পাতিল বিক্রি করে সংসার চলে আব্দুর রহমানের

Leave A Reply

Your email address will not be published.