ভূরুঙ্গামারী হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

- Advertisement -

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে দেশের প্রথম মুক্ত উপজেলা ভূরুঙ্গামারীর ৪৮তম হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাব এই আলোচনা সভার অয়োজন করে।

ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল হক। সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক মন্টু, সহ-সভাপতি সরকার রকিব আহম্মেদ জুয়েল, যুগ্ম সম্পাদক মাইদুল ইসলাম মুকুল, প্রচার সম্পাদক রবিউল আলম লিটন, কার্যকরি সদস্য এসএম গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।

অপরদিকে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ও পুর্নবাসন সোসাইটির ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করে। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এছাড়া সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উল্লেখ্য ১৯৭১ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভূরুঙ্গামারীকে পাকিস্তানী বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়। সেই মোতাবেক সেক্টর কমান্ডার এমকে বাশার, মিত্র বাহিনীর অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার জোসি সহ উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ সাহেবগঞ্জ সাব-সেক্টরে আসেন। এসময় ভারতীয় ষষ্ঠ মাউন্টেন ডিভিশনের একটি ব্রিগেড এবং বিএসএফের কয়েকটি কোম্পানী সামরিক সজ্জায় সজ্জিত হয়ে ভূরুঙ্গামারীর দক্ষিণ দিক খোলা রেখে পূব, পশ্চিম ও উত্তর দিক থেকে একযোগে আক্রমনের সিন্ধান্ত নেয়। পরিকল্পনা মোতাবেক ১৩ নভেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় বাহিনীর যৌথ নেতৃত্বে প্রবল আক্রমণ শুরু হয়। অবশ্য এর একদিন আগে থেকেই মিত্র বাহিনী কামান ও মর্টারের গোলা বর্ষণ সহ মিত্র বাহিনীর বিমান শত্রæদের উপর গোলা নিক্ষেপ শুরু করে। ১৪ নভেম্বর ভোর হবার আগেই পাকবাহিনীর গোলা বর্ষণ বন্ধ হয়ে গেলে ওই দিন ভোরে মুক্তিবাহিনী জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে সিও অফিসের (বর্তমান উপজেলা পরিষদ) সামনে চলে আসে এবং বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.