কোরবানির গরু ঢাকায় আনতে নৌপথই তাদের একমাত্র ভরসা

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নৌপথে গরু পরিবহণ খরচ অনেক কম, যানজটে আটকা পড়ার ভয় নেই, দ্রুত সময়ের মধ্যে হাটে পৌঁছানো যায়। এ কারণে কৃষকরা নৌপথে গরু পরিবহণে স্বস্তি বোধ করে। ফলে গত কয়েকদিন ধরে শাহজাদপুরে নৌপথে গরু পরিবহণ শুরু হয়েছে।

ঈদুল আযহা উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থেকে এ বছর ৪০ হাজার ষাঁড় গরু ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন পশুর হাটে নিয়ে যাওয়া শুরু হয়েছে। এর সিংহভাগ নৌপথে যাচ্ছে। ফলে কৃষকরা নৌপথে গরু পরিবহণে ডাকাতের আক্রমণের ভয়ে তারা শঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে গরু ব্যবসায়ী সোনাতনী গ্রামের ভোলা মোল্লা ফকির চান,শহিদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, সেলিম হোসেন, ছোট চানতারা গ্রামের এনামুল হক, আমিরুল ইসলাম, আরশেদ আলী মোল্লা বলেন,শাহজাদপুর উপজেলার পৌর এলাকাসহ ১৩টি ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামের  বাড়িতে কোরবানি উপলক্ষে ২/৪টি করে ষাঁড় বা বলদ গরু লালন পালন করে হৃষ্টপুষ্ট করে থাকে। এলাকার চাহিদা মিটিয়ে এ সব গরুর সিংহ ভাগ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ফতুল্লা, মাওয়াসহ বিভিন্ন বড় বড় কোরবানির পশুর হাটে নিয়ে বিক্রি করা হয়। 

এ বছর ঈদুল আযহা উপলক্ষে শাহজাদপুরে ৬০ হাজার ষাঁড় ও বলদ গরু মোটাতাজা করা হয়েছে। এলাকার চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ৪০ হাজার গরু নৌপথে বিভিন্ন বড় বড় হাটে নিয়ে যাওয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু নৌপথে নৌ-পুলিশ ও থানা পুলিশের তেমন তৎপরতা না থাকায় তারা ডাকাত আতংকে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তারা নিরাপদে গরু হাটে নিতে নৌ ও থানা পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মিজানুর রহমান বলেন, এ বছর নৌপথে কোরবানির গরু পরিবহণে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এরইমধ্যেই শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও নৌ-পুলিশকে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। তারপরেও পথে কোনো সমস্যা হলে কৃষকদের আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে শাহজাদপুরের ইউএনও শাহ মো: শামসুজ্জোহা বলেন, নৌপথে যাতে কোরবানির গরু নির্বিঘ্নে যেতে পারে সে জন্য সব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে কৃষকদের আতংকিত না হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।

নিউজ সোর্স : কোরবানির গরু ঢাকায় আনতে নৌপথই তাদের একমাত্র ভরসা

Leave A Reply

Your email address will not be published.