‘কৃষিক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর অবদান সোনার হরফে লেখা থাকবে’

কৃষিক্ষেত্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান সোনার হরফে লেখা থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এমপি। তিনি বলেছেন, আজকে কৃষির যে সমৃদ্ধি, বঙ্গবন্ধুই তার ভিত রচনা করে গেছেন।

বৃহস্পতিবার কুড়িগ্রাম শেখ রাসেল পৌর অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে মুজিব জন্মশতবর্ষে সফল শত কৃষককে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধুই কৃষিবিদদের প্রথমশ্রেণির কর্মকর্তার মর্যাদা দেন এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণ ইনস্টিটিউট (বি.এ.আর.আর.আই), বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই) ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও প্রজ্ঞায় কৃষির অগ্রযাত্রার সূচনা হয়েছিল।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, সদ্য স্বাধীন দেশে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে বঙ্গবন্ধু উন্নত চাষ, সেচ, বীজ ব্যবহারের পদক্ষেপ নেন, বিদেশ থেকে ট্রাক্টর, সেচযন্ত্র আনার ব্যবস্থা নেন। বঙ্গবন্ধুর গৃহীত কৃষি নীতির পথ ধরেই বাংলাদেশকে আজ কৃষির রোল মডেলে পরিণত করেছেন প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার।

দেশ আজ খাদ্যশস্য, মংস্য, দুগ্ধ, মাংসসহ প্রায় সকলক্ষেত্রে স্বয়ম্ভরতা অর্জন করেছে, এজন্য সবচেয়ে বেশি কৃতিত্বের দাবিদার এদেশের কৃষকগণ, তাদের প্রাণান্তকর পরিশ্রমেরই স্বার্থক প্রতিফলন আজকের কৃষি বিপ্লব।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন, বিসিএস (কৃষি) এসোসিয়েশনের সভপতি কৃষিবিদ মোয়াজ্জোম হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. শাসুসল হক, কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার সৈয়দা জান্নাত আরা, কৃষিবিদ তৌহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

(ঢাকাটাইমস/২৮অক্টোবর/এসকেএস/ইএস)

নিউজ সোর্স : ‘কৃষিক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর অবদান সোনার হরফে লেখা থাকবে’

Leave A Reply

Your email address will not be published.