তার ধর্মান্ধ ফলোয়ার ছিল কয়েক কোটি। রাম রহিম সিং এর আশ্রমে যে নারীরা থাকতেন তাদেরকে বেছে বেছে তিনি ব্যবহার করতেন, রঙ্গলীলা করতেন, বিনোদন করতেন, অবসাদ যাপন করতেন। এরমধ্যে কিছু নারী অভিযোগ করলে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ২০১৭ সালে তার বিশ বছরের জেল হয়, কিন্তু তার শিষ্যরা কোনভাবেই মানতে পারেননি তিনি একাজ করতে পারেন। সব আপিল টাপিল শেষে তাকে যখন জেলে নেয়া হয় তার শিষ্যরা বিদ্রোহে ফেটে পরে। নৃশংসতার পথ বেছে নেয়। আন্দোলনে নামে, রক্ত দেয়, মারে-মরে, অনেকগুলো জেলায় দাঙ্গা হাংগামা করে। অন্তত ৪০/৫০ জন লোক মারা যায় সেই দাঙ্গায় এবং হাজার হাজার লোক আহত হয়। এদেরকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারের অনেক বেগ পেতে হয়। ২০১৯ সালে রাম রহিমের সাজা আরও বাড়ে তার বিরুদ্ধে সাংবাদিক হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হয়। বাকি জীবন জেলেই কাটাতে হবে এই ধর্মীয় গুরুকে। কিন্তু তার অন্ধ ভক্তরা এতই অন্ধ যে তারা এটাকে এখনও ষড়যন্ত্র মনে করে। তারা এতটাই বোধহীন যে এখনও সকাল বিকাল তার জন্য প্রার্থনা করে। অভিশাপ দেয় সরকার আর কাল্পনিক ষড়যন্ত্রকারীদের। তারা এমনই, তাদের এভাবেই গড়ে তোলা হয়েছে। এটাই তাদের সফলতা। এমন একটি জাতি গড়ার লক্ষ্যেই তারা কাজ করে থাকেন। আর তারা ১০০% সাকসেসও বটে। আসল কথা হল যাদের মগজ একবার ধোলাই হয়, যাদের ঈমান একবার হাইজ্যাক হয় সেখানে লজিক, বাস্তবতা, সত্য-মিথ্যা, যুক্তি, আইন-আদালত কিছুই কাজ করেনা। দ্যাটস কল মালাউন/ অভিশপ্ত/ বোধহীন। এই ফেনাটিক অন্ধরা সকল ধর্মের মধ্যেই আছে। একটি শ্রেণি এদের গড়ে, পোষে, মদদ দেয় সময়মত ইউজ করে। তারা ইউজার ফ্রেন্ডলি হয়ে থাকে লাইক এপ, সফট্ওয়্যার। ইনস্টল করার পর আর কোনও কাজ নেই। ধর্মান্ধতা একটি জাতিবিনাশী দীর্ঘমেয়াদী ব্যাধি, এ ডিজিজ ফর লাইফ লং। ধর্মান্ধদের হাত থেকে তুমি ধর্মকে হেফাজত কর, জাতিকে রক্ষা কর প্রভু। বি. দ্র: আপনার আবার অন্য কিছু মনে কইরেন না। [ফেসবুক থেকে সংগৃহীত]