দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ সাকিব আল হাসান

- Advertisement -

অনলাইন ডেস্ক:
অবশেষে সত্যি হলো গুঞ্জন। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করলো আইসিসি।

ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়ে সেটাকে প্রত্যাখ্যান করলেও আইসিসি কিংবা বিসিবিকে না জানানোর কারণেই এই শাস্তি আরোপ করা হলো ক্রিকেটের সংস্থাটির পক্ষ থেকে।

তবে দোষ স্বীকার করার কারণে এক বছরের শাস্তি স্থগিত করেছে আইসিসি। আইসিসির পক্ষ থেকেই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তিনটি অভিযোগ স্বীকার করায় এক বছর শাস্তি কমানো হয়েছে।

এক ক্রিকেট জুয়াড়ির কাছ থেকে অনৈতিক প্রস্তাব পেয়ে তা গোপন করায় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির দুই বছরের নিষেধাজ্ঞায় পড়েন সাকিব আল হাসান। তবে ভুল স্বীকার করায় তার এক বছরের শাস্তি কমানো হয়েছে।

২০২১ সালের ২৯ শে অক্টোবরের আগে আর বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠে নামতে পারবেন না এই তারকা অলরাউন্ডার। আইসিসির পক্ষ থেকেই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন সাকিব।

২০১৮ আইপিএলে এবং সেই বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের মধ্যকার ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে মোট ৩ বার ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েছিলেন সাকিব। আইপিএলে ২৬শে এপ্রিল হায়দরাবাদ-পাঞ্জাবের মধ্যকার ম্যাচ পাতানোর কথা উল্লেখ করেছে আইসিসি। কিন্তু আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট আকসুর কাছে বিষয়টি জানাননি সাকিব। এই কারণে আর্টিকেল ২.৪.৪ অনুযায়ী শাস্তি পেলেন সাকিব।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.