কেন ওই নারীর ‘ফেক আইডেন্টিটি’ তৈরির চেষ্টা করেছিল মামুনুল?

- Advertisement -

নিউজ ডেস্ক: উস্কানি দিয়ে দেশজুড়ের হামলা-ভাঙচুর ও নাশকতা সৃষ্টির রেশ না কাটতেই গতকাল ফুর্তি করতে গিয়ে আটক হয়েছেন হেফাজতের মামুনুল হক। গতকাল সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সাথে ফুর্তি করতে গিয়ে স্থানীয় মানুষের হাতে আটক হন মামুনুল। পরে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন জায়গা থেকে কয়েকহাজার অনুসারী এসে হামলা-ভাঙচুর চালিয়ে মামনুলকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তাকে।

পরে ওই নারীর পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াসার সৃষ্টি হয়। মামুনুল ওই নারীকে নিজের ২য় স্ত্রী দাবি করলেও তা গোপণ রাখতে চেষ্টা করেছেন তিনি! মামুনুল রিসোর্টের রেজিস্টার খাতায় ওই নারীর নামও লিখেছেন আমিনা তৈয়বা। রুম নং ৫০১। এ সময় রিসোর্টে প্যাকেজ নেন উন্টার। রুম ভাড়া ৫ হাজার এবং খাবার খরচ ৩ হাজার টাকা। এছাড়াও মামুনুল হকের এনআইডি কার্ডের কপিও পাওয়া যায়। রিসোর্টে প্রবেশের সময় লেখা হয় দুপুর ৩টা।

Registerজানা যায়, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারীর নাম উল্লেখ করেন- আমিনা তৈয়্যেবা। শশুরের নাম : জাহিদুল ইসলাম। শশুর বাড়ি খুলনায়। কিন্তু ওই নারী পুলিশকে দেওয়া জবানবন্দিতে ওই নারী জানান- তার নাম জান্নাত আরা ঝর্ণা, বাবার নাম- অলিয়ার রহমান, গ্রাম- ফরিদপুর, আলফাডাঙ্গা।

ওই নারীর কাল্পনিক একটি পরিচয় তৈরির (‘ফেক আইডেন্টিটি’) চেষ্টা করেছিলেন মামুনুল। ওই নারীর পরিচয় প্রকাশের পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

jhorna identityমামুনুলের সাথে থাকা আলোচিত সেই নারীর নাম জান্নাত আরা ঝর্ণা (২৭)। তিনি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের কামারগ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. ওলিয়ার রহমান ওরফে ওলি মিয়ার মেঝো মেয়ে। ওলিয়ার রহমান কামারগ্রাম ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।

মামুনুল হক ওই নারীর নাম আমেনা তৈয়াবা বললেও ওই নারী নিজেকে জান্নাত আরা বলে পরিচয় দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও গণমাধ্যমে প্রচারের পর দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়। আলফাডাঙ্গা উপজেলাজুড়ে এখন ঝর্ণাকে নিয়েই চলছে আলোচনার ঝড়। তবে জান্নাতের আগে বিয়ে হয়েছে, দুটি সন্তানও আছে, এ কথা সবাই জানলেও দ্বিতীয় বিয়ের কোনো খবরই জানেন না এলাকাবাসী।

Print Friendly, PDF & Email

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.